ঢাকা, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫

২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৬

শিরোনাম

Scroll
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
Scroll
দুর্নীতির বিরুদ্ধে যৌথভাবে লড়াইয়ে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
Scroll
যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ স্থগিত করতে ইউরোপের প্রতি আহ্বান ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাখোঁর
Scroll
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ১১২ জন নিহত, প্রাণভয়ে পালাচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা
Scroll
ইউনূস-মোদীর বৈঠক: শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
Scroll
বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠক করলেন প্রধান উপদেষ্টা
Scroll
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ঘোষণার একদিন পরই যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় পতন
Scroll
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করল আদালত, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন

অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘটে ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ভোলা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮:১৬, ২৯ জানুয়ারি ২০২৫

অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘটে ভোগান্তিতে যাত্রীরা

বাসস্ট্যান্ডের জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে ভোলায় দ্বিতীয় দিনের মতো সংঘর্ষে জড়িয়েছে বাস শ্রমিক ও সিএনজি চালকরা। আগুন দেয়া হয়েছে আরও ৩টি সিএনজিচালিত অটোরিকশায়।

হামলার প্রতিবাদে আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) ভোর থেকে সকল রুটের বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে ভোলা বাস মালিক সমিতি। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে হাজার হাজার যাত্রী। বিভিন্ন দূর-দূরান্ত থেকে এসে যাত্রীরা ফিরে যাচ্ছেন বাড়িতে।

পুলিশ জানায়, বাস শ্রমিক ও সিএনজি চালকদের সংঘর্ষে দু’পক্ষের প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে ভোলা সদর ও গুরুতরদের বরিশাল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। আজ সকালে ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বাসস্ট্যান্ডের আশপাশের এলাকায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে।

ভোলা থেকে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাস স্ট্যান্ডে আসা বিভিন্ন দূর-দূরান্তের সাধারণ যাত্রীরা পড়েছেন বিপাকে। অনেকেই আবার রয়েছে বাস ছাড়ার অপেক্ষায়। কেউ কেউ আবার থ্রি হুইলারসহ বিভিন্ন ছোট যানবাহন দিয়ে ছুটে যাচ্ছেন কর্মস্থল ও গন্তব্যে।

যাত্রীদের অভিযোগ, বাস শ্রমিক ও সিএনজি শ্রমিকদের সংঘর্ষের ঘটনাতে বাস বন্ধ থাকার সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে থ্রি হুইলারসহ ছোট যানবাহনের চালকরা। ইচ্ছেমতো অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছেন। তাই বাধ্য হয়ে করেই যাচ্ছেন গন্তব্যে। দ্রুত বাস চলাচলের দাবিও করেন যাত্রীরা।

এর আগে, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাস স্ট্যান্ডের একটি অংশ সিএনজি চালকদের দখল করে রাখাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার (২৮জানুয়ারি) রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে বাস শ্রমিকদের সঙ্গে সিএনজি চালকদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা বাধে। পরে বিষয়টি উভয় পক্ষের সংঘর্ষের রূপ নেয়। এতে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ওই সময় দুইটি বাস ও কয়েকটি সিএনজিতে আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হয়। এছাড়াও ভাঙচুর করা হয় ৮/১০টি বাস ও বেশ কয়েকটি সিএনজি। এ সংঘর্ষের ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয় পক্ষের প্রায় ৫০ জন। পরে, রাতেই পুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও পড়ুন