ঢাকা, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫

২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৬

শিরোনাম

Scroll
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
Scroll
দুর্নীতির বিরুদ্ধে যৌথভাবে লড়াইয়ে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
Scroll
যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ স্থগিত করতে ইউরোপের প্রতি আহ্বান ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাখোঁর
Scroll
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ১১২ জন নিহত, প্রাণভয়ে পালাচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা
Scroll
ইউনূস-মোদীর বৈঠক: শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
Scroll
বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠক করলেন প্রধান উপদেষ্টা
Scroll
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ঘোষণার একদিন পরই যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় পতন
Scroll
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করল আদালত, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন

অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণেই সাজেকে আগুনে ক্ষতি বেশি

রাঙামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১১:০৯, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণেই সাজেকে আগুনে ক্ষতি বেশি

মেঘের বাড়ি খ্যাত সাজেকে এখন পর্যটকের আনাগোনা নেই। সম্প্রতি আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে কয়েকটি রিসোর্ট। পুড়েছে বসতবাড়িও। বাঁশ-কাঠে ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে ওঠা রিসোর্ট ও অপরিকল্পিত স্থাপনার কারণেই আগুনের ভয়াবহতা বেশি হয়েছে বলে দাবি করছে ফায়ার সার্ভিস।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৭০০ ফুট উঁচু সাজেকে আগুনে ছাই হওয়া কোনো স্থাপনাতেই ছিল না অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও। সরকার বলছে, ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনারোধে পরিকল্পিত পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) পৌনে ১টার দিকে সাজেকের ইকোভ্যালি রিসোর্টের দ্বিতীয় তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে অবকাশসহ আশপাশের অন্য রিসোর্ট-কটেজ, দোকানপাট ও বসতঘরে।

আগুনের খবর পেয়ে দীঘিনালা ফায়ার স্টেশন থেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি এসে পৌঁছায় বেলা ৩টার দিকে। এরপর খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও মাটিরাঙ্গা ফায়ার স্টেশন থেকেও গাড়ি আসে। সব মিলিয়ে ১১টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। বিকেল সোয়া ৫টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। 

তীব্র পানির সংকটের কারণে সাজেকে আগুন নেভানোর জন্য পর্যাপ্ত পানি পাননি বাসিন্দারা। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন জ্বলতে দেখা ছাড়া তাদের আর কিছুই করার ছিল না।

সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুর্পন দেব বর্মণ দাবি করেন, ‘পুড়ে যাওয়া স্থাপনাগুলো অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণ হয়েছিল।’ তিনি বলেন, রুইলুই ভ্যালিতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন থাকলে এত ক্ষয়ক্ষতি হতো না।

খাগড়াছড়ি ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক জাকের হোসেন বলেন, ‘অল্প জায়গায় কাঠ ও বাঁশের তৈরি স্থাপনাগুলোর ঘনত্ব বেশি হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়ায়। এ ছাড়া কোথাও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আগুনের ঘটনার পর সাজেক পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে তিনি পরিকল্পিতভাবে সাজেকে পর্যটককেন্দ্র গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়েছেন।

এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর নিজেদের বসতবাড়ি হারিয়ে লুসাই ও ত্রিপুরা পরিবারের মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন স্থানীয় গির্জায়। দ্রুত তাদের পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন