শিরোনাম
পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫:৪৭, ৮ মার্চ ২০২৫ | আপডেট: ২১:১১, ৮ মার্চ ২০২৫
আবারও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে পঞ্চগড়ে আল আমিন নামের ৩৬ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৮ মার্চ) সদর উপজেলার ভিতরগড় সীমান্তের সুইডাঙ্গা এলাকার বিপরীতে ভারতের খালপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত আল আমিন সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের জিন্নাত পাড়ার সুরুজ আলীর ছেলে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতে আল আমিনসহ ১০-১৫ জন যুবক ভারতীয় ওই সীমান্তে গরু আনতে যায়। এ সময় তারা ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে ৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের ভাটপাড়া ক্যাম্পের টহলে থাকা সদস্যরা তাদের গুলি করে। এ সময় অন্যরা পালিয়ে আসতে পারলেও আল-আমিন নিহত হন। পরে বিএসএফ তার লাশ ভারতে নিয়ে যায়।
সকালে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ মো. বদরুদ্দোজা সীমান্ত পিলার ৭৪৪/৭ এস এলাকায় ভারতের ৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করেন। পতাকা বৈঠকে এ ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে লাশ ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্ট কর্নেল শেখ মো. বদরুদ্দোজা বিএসএফের গুলিতে এক ‘‘চোরাকারবারি’’ নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ভারত ও বাংলাদেশের ১০ থেকে ১৫ জন ‘‘চোরাকারবারি’’ বিএসএফকে আক্রমণ করে এ সময় আত্মরক্ষার্থে গুলি চালাতে বাধ্য হয় বিএসএফ।
গত শনিবার (৮ মার্চ) পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার ভিতরগড় সীমান্তে এক মারাত্মক ঘটনা ঘটে, যেখানে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলিতে ৩৬ বছর বয়সী আল আমিন নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হন। এই ঘটনাটি ঘটে ভারতের খালপাড়া এলাকায়, যেখানে নিহত আল আমিন সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের জিন্নাত পাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার মৃত্যু বাংলাদেশের সীমান্তে বিএসএফের বিরুদ্ধে আরও একবার প্রশ্ন তুলেছে। এই ঘটনাটি সীমান্তে অস্থিরতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ের দিকে নজর আকর্ষণ করছে।