ঢাকা, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫

২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৬

শিরোনাম

Scroll
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
Scroll
দুর্নীতির বিরুদ্ধে যৌথভাবে লড়াইয়ে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
Scroll
যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ স্থগিত করতে ইউরোপের প্রতি আহ্বান ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাখোঁর
Scroll
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ১১২ জন নিহত, প্রাণভয়ে পালাচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা
Scroll
ইউনূস-মোদীর বৈঠক: শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
Scroll
বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠক করলেন প্রধান উপদেষ্টা
Scroll
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ঘোষণার একদিন পরই যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় পতন
Scroll
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করল আদালত, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন

‘আমরা বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই’

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৩:১৮, ১৯ অক্টোবর ২০২৪ | আপডেট: ১৭:০৭, ১৯ অক্টোবর ২০২৪

‘আমরা বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা একটা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। যে বাংলাদেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না। মালিক আর শ্রমিক ভাই ভাই হয়ে কাজ করবে।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের শরকরবাটী হেফজুল উলুম ফায়েজা খানম কালিম মাদরাসায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রোকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের মানুষকে মানুষ মনে করত না। দেশের মানুষের সেবা করার বদলে তারা হয়েছিল দেশের মালিক। সেবক হতে পারেনি। আমরা একটা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। যে বাংলাদেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না। মালিক আর শ্রমিক ভাই ভাই হয়ে কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার তিনবার নির্বাচন করেছে। কিন্তু দেশের মানুষ একটি নির্বাচনেও ভোট দিতে পারেনি। তারা নিজেরা নিজেরাই ভোট করেছে। ভোটকেন্দ্রে কুকুর ঘুমিয়েছে। মানুষ যায়নি। প্রশাসনের ব্যক্তিরা ছিলেন আওয়ামী লীগের সাজানো। জনগণ তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করেছে।

আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াতে ইসলামীকে শেষ করে দিতে চেয়েছিল। দুনিয়াদারির কোনো সংগঠন হলে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। আল্লাহ জালিমকে ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না। আমাদের শুরু হচ্ছে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু দিয়ে, আমদের সঙ্গে আল্লাহ ছিলেন। এখনও আছেন।

সারাদিন সারাদেশে ছিনতাই, গুম, খুনসহ বিভিন্ন অপকর্মের খবর আমরা পত্র পত্রিকায় দেখি। কিন্তু জামায়াতে ইসলামীর ২ কোটি ৪২ লাখ রেজিস্ট্রার সদস্যের নাম এসব কাজে আসেনি। 


 

আরও পড়ুন