ঢাকা, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫

২১ চৈত্র ১৪৩১, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৬

শিরোনাম

Scroll
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
Scroll
দুর্নীতির বিরুদ্ধে যৌথভাবে লড়াইয়ে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
Scroll
যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ স্থগিত করতে ইউরোপের প্রতি আহ্বান ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাখোঁর
Scroll
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ১১২ জন নিহত, প্রাণভয়ে পালাচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা
Scroll
ইউনূস-মোদীর বৈঠক: শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
Scroll
বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠক করলেন প্রধান উপদেষ্টা
Scroll
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ঘোষণার একদিন পরই যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় পতন
Scroll
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করল আদালত, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন

বেরোবিতে সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ, দুই শিক্ষকসহ বরখাস্ত ৯

রংপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮:১৩, ২৮ অক্টোবর ২০২৪

বেরোবিতে সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ, দুই শিক্ষকসহ বরখাস্ত ৯

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন। একইসঙ্গে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় দুই শিক্ষক ও সাতজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়াও আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বরখাস্তদেরসহ ৭২ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। 

সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিকালে বেরোবির সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকত আলী জানিয়েছেন।

এর আগে বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা কক্ষে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকত আলী সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, সিন্ডিকেট সভায় ১০ জন সদস্যের মধ্যে আট জন উপস্থিত ছিলেন। সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বেরোবির ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে এবং এ বিষয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী দুই শিক্ষক মশিউর রহমান ও আসাদ মন্ডল এবং সাত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বহিষ্কারের করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭২ শিক্ষার্থী জড়িত থাকার অভিযোগে তাদেরকেও বহিষ্কার এবং সবার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ছাত্র রাজনীতি।

উপাচার্য জানান, এখন থেকে কোনও শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারী দলীয় রাজনীতি করতে পারবে না। সেইসঙ্গে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, সিট বাণিজ্য পুরোপুরি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীসহ শতাধিক ৫ আগস্টের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন- তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, সভায় তিন শিক্ষক- বাংলা বিভাগের ড. তুহিন ওয়াদুদ, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ইউসুফ ও গণিত বিভাগের আইরিন আখতারের চাকরির বিধি লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী কোনও শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী কোনও দলের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হতে পারবেন না। এটা কেন এতদিন হয়েছে সেটা খতিয়ে দেখা হবে। সেই সঙ্গে এখনও যারা বিভিন্ন দলের সঙ্গে জড়িত আছেন- তাদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এদিকে, ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন।

আরও পড়ুন