শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১০:৪৮, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | আপডেট: ১০:৫২, ৩ এপ্রিল ২০২৫
ট্রাম্পের ঘোষিত শুল্ক হার অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের পণ্য আমদানির ওপর ৩৪ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এছাড়া, ভারতের ওপর ২৬ শতাংশ, বাংলাদেশের ওপর ৩৭ শতাংশ, জাপানের ওপর ২৪ শতাংশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও জানান, তিনি অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রকে শোষণের হাত থেকে রক্ষার জন্যই এই শুল্ক বসিয়েছেন এবং তা তাদের আমদানি শুল্কের অর্ধেক মাত্র।
এক নজরে দেখে নেওয়া যাক দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ওপর আরোপিত শুল্কহার:
শ্রীলঙ্কা – ৪৪ শতাংশ (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ৮৮ শতাংশ)
বাংলাদেশ – ৩৭ শতাংশ (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ৭৪ শতাংশ)
পাকিস্তান – ২৯ শতাংশ (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ৫৮ শতাংশ)
ভারত – ২৬ শতাংশ (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ৫২ শতাংশ)
আফগানিস্তান – ১৮ শতাংশ (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ৩৫ শতাংশ)
নেপাল – ১০ শতাংশ (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ১০ শতাংশ)
ভুটান – ১০ শতাংশ (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ১০ শতাংশ)
মালদ্বীপ – ১০ শতাংশ (যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে শুল্ক: ১০ শতাংশ)
শুল্কহারের পার্থক্য
প্রতিটি ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্কহার সাধারণত সেই দেশের যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক হারের অর্ধেক বা ন্যূনতম ১০ শতাংশ। উদাহরণস্বরূপ, শ্রীলঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে ৮৮ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে, তাই যুক্তরাষ্ট্র ৪৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে।
কোন দেশের ওপর কত শুল্ক ধার্য করল
নতুন শুল্ক তালিকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কর বসানো হয়েছে। নিচে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দেশের শুল্কহার তুলে ধরা হলো:
লেসোথো – ৫০ শতাংশ
কম্বোডিয়া – ৪৯ শতাংশ
লাওস – ৪৮ শতাংশ
মাদাগাস্কার – ৪৭ শতাংশ
ভিয়েতনাম – ৪৬ শতাংশ
মিয়ানমার – ৪৪ শতাংশ
শ্রীলঙ্কা – ৪৪ শতাংশ
মরিশাস – ৪০ শতাংশ
গায়ানা – ৩৮ শতাংশ
বাংলাদেশ – ৩৭ শতাংশ
লিচেনস্টাইন – ৩৭ শতাংশ
সার্বিয়া – ৩৭ শতাংশ
বতসোয়ানা – ৩৭ শতাংশ
থাইল্যান্ড – ৩৬ শতাংশ
বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা – ৩৫ শতাংশ
চীন – ৩৪ শতাংশ
নর্থ মেসিডোনিয়া – ৩৩ শতাংশ
তাইওয়ান – ৩২ শতাংশ
ফিজি – ৩২ শতাংশ
ইন্দোনেশিয়া – ৩২ শতাংশ
সুইজারল্যান্ড – ৩১ শতাংশ
আলজেরিয়া – ৩০ শতাংশ
দক্ষিণ আফ্রিকা – ৩০ শতাংশ
পাকিস্তান – ২৯ শতাংশ
তিউনিসিয়া – ২৮ শতাংশ
কাজাখস্তান – ২৭ শতাংশ
ভারত – ২৬ শতাংশ
দক্ষিণ কোরিয়া – ২৫ শতাংশ
ব্রুনাই – ২৪ শতাংশ
জাপান – ২৪ শতাংশ
মালয়েশিয়া – ২৪ শতাংশ
নামিবিয়া – ২১ শতাংশ
আইভরি কোস্ট (কোত দিভোয়ার) – ২১ শতাংশ
ইউরোপীয় ইউনিয়ন – ২০ শতাংশ
জর্ডান – ২০ শতাংশ
নিকারাগুয়া – ১৮ শতাংশ
ফিলিপাইন – ১৭ শতাংশ
ইসরায়েল – ১৭ শতাংশ
ভেনেজুয়েলা – ১৫ শতাংশ
নরওয়ে – ১৫ শতাংশ
নাইজেরিয়া – ১৪ শতাংশ
ওমান – ১০ শতাংশ
উরুগুয়ে – ১০ শতাংশ
বাহামাস – ১০ শতাংশ
ইউক্রেন – ১০ শতাংশ
বাহরাইন – ১০ শতাংশ
কাতার – ১০ শতাংশ
আইসল্যান্ড – ১০ শতাংশ
কেনিয়া – ১০ শতাংশ
হাইতি – ১০ শতাংশ
বলিভিয়া – ১০ শতাংশ
পানামা – ১০ শতাংশ
ইথিওপিয়া – ১০ শতাংশ
ঘানা – ১০ শতাংশ
যুক্তরাজ্য – ১০ শতাংশ
ব্রাজিল – ১০ শতাংশ
সিঙ্গাপুর – ১০ শতাংশ
চিলি – ১০ শতাংশ
অস্ট্রেলিয়া – ১০ শতাংশ
তুরস্ক – ১০ শতাংশ
কলম্বিয়া – ১০ শতাংশ
পেরু – ১০ শতাংশ
কোস্টা রিকা – ১০ শতাংশ
ডোমিনিকান রিপাবলিক – ১০ শতাংশ
সংযুক্ত আরব আমিরাত – ১০ শতাংশ
নিউজিল্যান্ড – ১০ শতাংশ
আর্জেন্টিনা – ১০ শতাংশ
ইকুয়েডর – ১০ শতাংশ
গুয়াতেমালা – ১০ শতাংশ
হন্ডুরাস – ১০ শতাংশ
মিশর – ১০ শতাংশ
সৌদি আরব – ১০ শতাংশ
এল সালভাদর – ১০ শতাংশ
ত্রিনিদাদ ও টোবাগো – ১০ শতাংশ
মরক্কো – ১০ শতাংশ
পুরো তালিকায় ১৮১টি দেশ ও অঞ্চলের নাম উল্লেখ রয়েছে, এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ সদস্যকে একক সত্তা হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এসব দেশের ওপর আরোপিত নতুন শুল্ক হারগুলো বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) থেকেই কার্যকর হচ্ছে।