শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১২:৩১, ২ এপ্রিল ২০২৫
ইসরায়েলি প্রশাসন দাবি করছে, গাজায় যথেষ্ট পরিমাণ খাবার আছে। নতুন করে ত্রাণ সহায়তার আপাতত কোনো প্রয়োজন নেই। জাতিসংঘ ইসরায়েলের এমন দাবিকে হাস্যকর অভিহিত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে গাজায় শিগগিরই দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে বলে সতর্ক করেছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ।
একদিকে ত্রাণ প্রবেশে বাধা, অন্যদিকে নির্বিচারে গুলি আর বোমা হামলা-সব মিলিয়ে মানবতার চরম বিপর্যয় দেখছে গাজা উপত্যকা। হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজ বুধবার সকালে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে অন্তত ২১ ফিলিস্তিনি। নতুন করে উপত্যকার বাইত লাহিয়া, বাইত হানুন এবং উত্তরাঞ্চলীয় আরও কয়েকটি এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খালি করতে বলা হয়েছে রাফাহও। কিন্তু এসব এলাকার বাসিন্দাদের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।
শহরগুলোর বাসিন্দারা জীবন বাঁচাত গোলাগুলি আর বোমাবর্ষণের মধ্যেই এক কাপড়ে নিরুদ্দেশে রওনা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে গাজাকে বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান আখ্যা দিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সংস্থা ওসিএইচএ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে সংস্থাটি লিখেছে, ‘গাজার মানুষ গুলি আর বোমার মধ্যেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ইসরায়েলের নির্দেশ দেওয়া জায়গাগুলো ছেড়ে যাচ্ছেন। এটা খুবই বিপজ্জনক। গাজা এখন বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক জায়গাগুলোর একটি।’
গাজার এক বৃদ্ধ আলজাজিরাকে বলেন, ‘গাড়ি-ঘোড়া কিছু নেই। আমরা হেঁটে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম। ভয়ে পেছন ফিরে তাকাতে পারছিলাম না। আমাদের সঙ্গে থাকা বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। কোনোমতে আমরা পালিয়ে বাঁচি। দেখতে পাই রাস্তার ধারে থাকা তাঁবুগুলো ইসরায়েলি সেনারা পুড়িয়ে দিয়েছে।’