শিরোনাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ১২:১০, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | আপডেট: ১৪:১৪, ৩ এপ্রিল ২০২৫
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার মুসলিম ও বিরোধীদের আপত্তির মুখে ভারতের পার্লামেন্টে ওয়াকফ বিল পেশ করে বিজেপি সরকার। শরিকদের সমর্থন নিশ্চিত করেই পেশ করা হয় সংশোধনী বিল। তবে বিলবিরোধী অবস্থান নেয় বিরোধী শিবির। তাদের দাবি এই বিল সংবিধানের পরিপন্থী।
ভারতে রেল ও সেনাবাহিনীর পরই সবচেয়ে বেশি সম্পত্তি রয়েছে ওয়াকফের আওতায়। নতুন ওয়াকফ আইনে সেই সম্পত্তির ওপরে সরকার এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারবে বলে মনে করছেন মুসলিমরা। পাশাপাশি, বিরোধীর বক্তব্য ছিল ওয়াকফ বিল সরাসরি মুসলিমদের ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপরে হস্তক্ষেপ।
লোকসভায় বিল পেশ করে কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়কমন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, দেশের ওয়াকফ সম্পত্তির সংখ্যা বিপুল পরিমাণে বেড়েছে। এই সম্পত্তি সঠিকভাবে পরিচালিত হলে শুধু মুসলিমদের জীবনই নয়, দেশও বদলে যাবে বলে দাবি তাঁর।
প্রসঙ্গত, ওয়াকফ বলতে ইসলামি আইনের অধীনে একচেটিয়াভাবে ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে নিবেদিত সম্পত্তিকে বোঝায়। এর মধ্যে রয়েছে কৃষিজমি, দালানকোঠা, দরগাহ/মাজার ও কবরস্থান, ইদগাহ, খানকাহ, মাদ্রাসা, মসজিদ, প্লট, পুকুর, স্কুল, দোকানপাটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এই সম্পত্তির অন্য কোনও ব্যবহার বা বিক্রয় নিষিদ্ধ। ভারতে, যেখানে বিশ্বের বৃহত্তম ওয়াকফ হোল্ডিং রয়েছে, ওয়াকফ বোর্ডগুলি বর্তমানে সারা দেশে ৯.৪ লক্ষ একর জুড়ে ৮.৭ লক্ষ সম্পত্তি নিয়ন্ত্রণ করে, সশস্ত্র বাহিনী এবং ভারতীয় রেলওয়ের পরে এটি ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম জমির মালিক হয়ে উঠেছে। সরকারের মতে, ওয়াকফ ট্রাইব্যুনালে ৪০,৯৫১টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।