শিরোনাম
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ১২:০৮, ২২ মার্চ ২০২৫ | আপডেট: ১৬:৩৭, ২২ মার্চ ২০২৫
রসুন একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক। হাজারটা সমস্যার সমাধান রয়েছে রসুনে। শুধু রান্নার স্বাদ বাড়ায় না, সংক্রমণজাতীয় রোগ ও ওজন কমানো থেকে সব কিছুরই সমাধান করে রসুন। নিয়ম করে যদি কাঁচা রসুন খাওয়া যায়, তা হলে উন্নত হয় হজমশক্তি, বাড়ে বিপাকহার। এমনকি ওজন কমাতেও মোক্ষম দাওয়াই এই রসুন।
তবে এত উপকার পেতে হলে কাঁচা রসুন খেতে হবে বিশেষ উপায়ে। কিভাবে রসুন খেলে উপকার পাবেন, চলুন জেনে নেওয়া যাক………
চিকিৎসকরা বলেন, রসুনের অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রক্তকে পরিশুদ্ধ করে। কিছু ভাইরাস ও সংক্রমণজনিত অসুখ, যেমন নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, হাঁপানি, হুপিং কাফ প্রতিরোধ করে রসুন। সকালের নাশতায় রসুন খেলে ঠাণ্ডা লাগার সমস্যা কমে অনেকটাই। যক্ষ্মায় আক্রান্ত রোগীর ওষুধে সারা দিনে কয়েক কোয়া রসুন খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।
রসুন ওজন কমাতে এক্সপার্ট। বিশেষ করে পেটের মেদ। কাঁচা রসুনের মধ্যে থাকা সালফার শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে, খাবার হজম করায়, বিপাক হার উন্নত হয়। ফলে শরীরের ভেজাল মেটাবলিক রেট বাড়ে ও ওজন কমে ঝটপট।
ওজন কমাতে সকালে একদম খালি পেটে ২-৩টা রসুনের কোয়া কুচি করে পানি দিয়ে গিলে নিন।
রোজ সকালে খালিপেটে লেবুর রসের সঙ্গে এক কোয়া রসুনের রস মিশিয়ে খেলে এক সপ্তাহের মধ্যে অন্তত ২-৩ কিলো ওজন কমবে।
১ চা চামচ মধুর মধ্যে ৩-৪ কোয়া রসুন কুচি মিশিয়ে খেলেও ভালো ফল পাবেন। কয়েকদিনের মধ্যেই ভুঁড়ি কমে যাবে।
৩-৪ কোয়া রসুন থেঁতো করে, ১ চামচ রস বের করে খান, ভালো ফল মিলবে। এছাড়া সালাদের সঙ্গে ভেজে নেয়া রসুন খেতে পারেন।
পূর্ণবয়স্কদের ক্ষেত্রে ২-৩টি রসুনের কোয়া খেতে বলছেন পুষ্টিবিদরা। প্রতিদিন সকালে এক কোয়া রসুন কাঁচা চিবিয়ে খেলে সবচেয়ে বেশি উপকার মেলে। তবে, একান্তই সকালে খেতে না পারলে কোনো ক্ষতি নেই। বিকেল-দুপুর বা রাতে খেতে পারেন। তবে খেতে হবে কাঁচা।
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে, সবচেয়ে ভালো ফল পেতে গেলে সাপ্লিমেন্ট না খেয়ে খেতে হবে কাঁচা রসুন। কাঁচা রসুনের যত উপকার, রান্না করার পর আর তত থাকে না। কাঁচা রসুনে থাকে এলিসিন, যা ওষুধের মতো কাজ করে।
রসুন কাটা বা বাটার পর সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে না নিলে এলিসিন আস্তে আস্তে উবে যায়। সে জন্যই রসুন শুকিয়ে বা রান্নায় দিয়ে খেলে উপকার কমে যায়। প্যাকেটের রসুন বাটা বা সাপ্লিমেন্টেও এই উপকার থাকে না। তা ছাড়া অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের মাত্রাও বেশি থাকে কাঁচা রসুনে।