ঢাকা, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫

২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৫ শাওয়াল ১৪৪৬

শিরোনাম

Scroll
বিচার বানচালে পতিত সরকারের অর্থ ব্যয়ের তথ্য মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর
Scroll
ট্রাম্পের প্রশাসনে থাকছে না মাস্কের চাকরি
Scroll
মার্কিন বিমানবাহী রণতরীতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুতির
Scroll
ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণ: ট্রাম্পের শুল্ক গণনা পদ্ধতিই ‘অন্যায্য’, বাংলাদেশসহ গরিব দেশগুলোর জন্য বিপর্যয়কর
Scroll
ট্রাম্পের শুল্কনীতি আরোপে বাণিজ্য যুদ্ধের শঙ্কা, বিশ্বনেতাদের তীব্র প্রতিক্রিয়া
Scroll
দেশকে বদলাতে পরিচালনা পদ্ধতি পাল্টাতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা
Scroll
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক বসাল যুক্তরাষ্ট্র
Scroll
সব ধরনের বিদেশি গাড়ি আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক বসালেন ট্রাম্প
Scroll
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩০০৩, ত্রাণ সরবরাহে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা জান্তার
Scroll
বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

চায়ে লবণ মিশিয়ে খাওয়ার উপকারিতা ও প্রভাব

চায়ে লবণ মিশিয়ে খাওয়ার উপকারিতা: স্বাস্থ্যের জন্য বিস্ময়কর সুফল

চায়ে লবণ খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫:৩০, ২৩ মার্চ ২০২৫ | আপডেট: ১৬:২৭, ২৩ মার্চ ২০২৫

চায়ে লবণ মিশিয়ে খাওয়ার উপকারিতা: স্বাস্থ্যের জন্য বিস্ময়কর সুফল

চায়ে লবণ মিশিয়ে খাওয়ার যত উপকারিতা

চা! বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয়ের তালিকায় নিঃসন্দেহে যার অবস্থান ওপরের দিকে। চায়ে দুধ বা চিনি মিশিয়ে খান অনেকেই। আবার যারা স্বাস্থ্য সচেতন বা ডায়েট করেন তারা চিনি ছাড়াই চা পান করেন। চা পান করলে শান্তি পাওয়া যায়। কারণ এতে থাকা ক্যাফেইন আমাদের শরীরকে শান্ত ও শিথিল করতে সাহায্য করে।

এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলার জন্য চায়ে বিভিন্ন ধরনের মশলা, যেমন— গোলমরিচ, ছোট এলাচ, লবঙ্গ, দারচিনি কিংবা তেজপাতাও দেওয়া হয়। সেসব মশলারও অনেক গুণও রয়েছে।

কিন্তু, চায়ে লবণ দিয়ে খেয়ে দেখেছেন কখনও? জানেন কি চায়ে লবণ দিয়ে খেলে কি হয়? চলুন জেনে নেয়া যাক- 

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে চায়ে, এক চিমটি বিট লবন যোগ করলে এটি আরও বেশি স্বাস্থ্যকর হয়। এই চা পান করলে শরীরে অনেক উপকার পাওয়া যায়। চিকিৎসক মোহাম্মদ আসিফ নাগৌরির মতে, লবণযুক্ত চা খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করা যায়। শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক ধরনের সমস্যা থেকে শরীরকে রক্ষা করতে সহায়ক।

লবণ চায়ের যত উপকারিতা

চায়ে সামান্য লবণ মেশালে চায়ের তেতো স্বাদ কমে এবং স্বাদ বাড়ে। যা চায়ের স্বাদকে আকর্ষণীয় করে তোলে। চায়ে লবণ মিশিয়ে খেলে হজমে সমস্যা হয় না। শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের সঠিক ভারসাম্য বজায় থাকে বলে মনে করা হয়।

মৌসুম বদলের সময় সর্দি-কাশি তো লেগেই থাকে। পাশাপাশি এই সময়গুলোতে নানা রকম ভাইরাল রোগ-বালাই দেখা দেয়। এই সময়ে চায়ে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে খেলে কিন্তু উপকার পাবেন। রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে এটা বেশ কাজে দেয়।

চায়ে সামান্য বিট নুন যোগ করলে এর স্বাদ বাড়ে। এছাড়াও এই ধরনের চা পান শরীরের বিপাকক্রিয়া বৃদ্ধি করে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। বিট নুন দিয়ে চা পান করলে সর্দি-কাশির সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

নতুন বছরে হরদম খানাপিনা করে বেশিরভাগেরই হজমে সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে ঘন ঘন ওষুধ না খেয়ে চায়ে এক চিমটি লবণ দিয়ে খেতে পারেন। লবণ কিন্তু খাবার হজমে সাহায্য করে, এমন উৎসেচকের ক্ষরণ বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।

মাথা ব্যথার সমস্যায় অস্থির থাকলে বিট নুন দিয়ে চা পান করতে পারেন। এই চা খেলে সেই সমস্যা দূর হয়।

গরমে ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে নানা রকম খণিজ বেরিয়ে যায়। শুধু পানি খেয়ে কিন্তু শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখা যায় না। ডিহাইড্রেশনের সমস্যায় লবণ ভালো কাজ দেয়। ঈষদুষ্ণ চায়ের সঙ্গে সামান্য লবণ মিশিয়ে খেলেও কাজ হয়।

কাশি, সর্দি এবং কফের মতো সমস্যা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি দেয়। ফুসফুসে জমে থাকা ময়লা দূর করতেও এই চায়ের জুড়ি নেই। গোলমরিচের গুঁড়ো ফুসফুস ডিটক্স করতে পারে।

সোডিয়ামকে শরীরে শক্তি দেওয়ার জন্য উপকারি মনে করা হয়। লবণ চা পানে শরীরে শক্তি অনুভূত হয় এবং দীর্ঘসময়ের জন্য ক্লান্তি অনুভূতি হয়না। এছাড়া সকাল সকাল লবণ চা পান করলে ক্ষুধা কম লাগে।

লবণ চা পান করলে ঠান্ডা-সর্দি, কাশি, গলায় কফের সমস্যা দূর হয়। এক কাপ লবণ চা পান করলে গলায় জমে থাকা কফ বের হয়ে যায় এবং সর্দি থাকলে তাও কমে যায়।

চায়ে লবণ মিশিয়ে খাওয়া একটি জনপ্রিয় এবং পুরনো প্রথা, যা এখনো অনেকের কাছে অজানা। সাধারণত চা খাওয়ার জন্য আমরা চিনি বা দুধ ব্যবহার করি, কিন্তু চায়ে লবণ মিশিয়ে খাওয়ারও রয়েছে নানা স্বাস্থ্য উপকারিতা। বিশেষ করে এটি হজমে সহায়তা করে, শরীরে পানির ভারসাম্য রক্ষা করে এবং কিছু ক্ষেত্রে ঠান্ডা বা সর্দি-কাশির উপশমে সাহায্য করতে পারে। আজ আমরা জানব কেন চায়ে লবণ মিশিয়ে খাওয়া আমাদের জন্য উপকারী হতে পারে এবং কিভাবে এটি শরীরের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন