শিরোনাম
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩:০৭, ২৮ মার্চ ২০২৫ | আপডেট: ১৩:০৯, ২৮ মার্চ ২০২৫
কানের দুল
ঈদের সাজকে পরিপূর্ণ করতে এক জোড়া সুন্দর কানের দুলের বিকল্প নেই। ঈদের পোশাকের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী লুক পেতে পরতে পারেন ভারী ডিজাইনের ঝুমকা বা চাঁদবালি। এগুলোর ডিজাইনে সূক্ষ্ম নকশা থাকায় সেগুলো ভারী কাজ করা শাড়ি, সালোয়ার কামিজ বা কুর্তার সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। একইসঙ্গে এগুলো আপনার পুরো সাজে ঐতিহ্যের ছোঁয়া যোগ করবে। ভারী সাজ না চাইলে, হালকা স্বর্ণ বা রূপার রঙের ছোট স্টাড বা হুপ কানের দুল পরতে পারেন।
মালা
একটি নজরকাড়া মালা সাধারণ পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলে এবং সাজে উৎসবের আমেজ আনে। সেক্ষেত্রে কুন্দন সেট বা কয়েক লহরের পোলকি নেকলেস বেছে নিতে পারেন। একটি সুন্দর ডিজাইনের মালা সাধারণ সিল্ক বা শিফনের পোশাককে আরোও আকর্ষণীয় করে তোলে। গভীর গলা অথবা স্কুপ নেক পোশাকের সঙ্গে মানানসই একটি মালা আপনাকে যেমন আকর্ষণীয় করে তুলবে, তেমনি আপনার সাজে যোগ করবে আভিজাত্য।
আংটি
আংটির কদর অন্যান্য গয়নার চেয়ে কিছুটা কম হলেও এটি যেকোনো পোশাককে আরো বেশি আকর্ষণীয় করে তোলার ক্ষমতা রাখে। উজ্জ্বল রঙের পাথর দিয়ে তৈরি বা পেইসলি কিংবা ফুলের মতো ক্লাসিক ডিজাইনে সাজানো একটি বড় আকারের স্টেটমেন্ট রিং আপনার হাতকে আকর্ষণীয় করে তোলে। আনারকলি বা লেহেঙ্গার সঙ্গে হাতে এমন একটি আংটি আপনার ভেতরের ফ্যাশন ডিভাকে ফুটিয়ে তুলবে।
চুড়ি এবং ব্রেসলেট
বাঙালির ঈদের সাজের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হলো চুড়ি ও ব্রেসলেট। লাল রঙের পোশাকের সঙ্গে সোনালি ও লাল রঙা চুড়ির কোনো জুড়ি নেই। এই গয়নাগুলোর জটিল নকশা ও ভারী ডিজাইন এগুলোকে জমকালো পোশাক, যেমন শাড়ি ও লেহেঙ্গার সঙ্গে পরার উপযুক্ত করে তোলে, পাশাপাশি সাজে ঐতিহ্য ও আভিজাত্যের ছোঁয়া যোগ করে।
ঈদের গয়না
ঈদে বড় পাথর বসানো সোনার বা রুপার কড়া ব্রেসলেটও বেছে নিতে পারেন। রুপা, রোজ গোল্ড বা ম্যাট গোল্ডেন ব্রেসলেট আধুনিক লুকের জন্য দুর্দান্ত বিকল্প। আরও ক্লাসিক সাজের সঙ্গে একটু আধুনিকতা যোগ করতে চাইলে, পাতলা চুড়িগুলো স্তরে স্তরে পরতে পারেন বা হাতে একটি কাফ ব্রেসলেট জড়িয়ে নিতে পারেন। এটি হালকা ধরনের কাপড়, যেমন শিফন, কটন বা প্যাস্টেল রঙের সিল্কের সঙ্গে বেশ ভালো মানিয়ে যায়।
নূপুর এবং পায়ের আংটি
ঈদের ক্লাসিক স্টাইলের সঙ্গে ভালো মানিয়ে যায় এমন দুটি গহনা হলো পায়েল ও টো রিং। এগুলো হয়তো আপনার কাছে ততটা গুরুত্বপূর্ণ নাও মনে হতে পারে, তবে এগুলো সহজেই আপনার লুককে অন্যরকম করে তুলতে পারে।
পায়ে মৃদু রিনিঝিনি শব্দ যোগ করতে চাইলে, ছোট ছোট ঘণ্টা বা ঝুলন্ত কয়েনসহ পায়েল পরতে পারেন, যা আপনাকে আরও প্রাণবন্ত লুক দেবে। একটি সাধারণ লেহেঙ্গা বা শাড়ির সঙ্গে এই উৎসবমুখর অনুষঙ্গটি হবে বাড়তি সৌন্দর্যের ছোঁয়া।
চুলের অনুষঙ্গ
বাঙালি নারীর সাজ মানেই বাহারি চুলের অনুষঙ্গ। উৎসবে নিজেকে সবার থেকে ভিন্নভাবে সাজিয়ে তুলতে চুলের অনুষঙ্গ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটি টিকলি দিয়ে চুলের সাজ পরিপূর্ণ করতে পারেন অথবা ঝলমলে ক্রিস্টাল খচিত মুকুটেও নিজেকে সাজিয়ে তুলতে পারেন। সাধারণ খোঁপা হোক বা ঢেউ খেলানো খোলা চুল, এ ধরনের অনুষঙ্গ আপনাকে মুহূর্তেই রানির মতো করে তুলবে।
এই ঈদে আপনার গয়না হোক আপনার ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন, যা একইসঙ্গে উৎসবের আনন্দকে আরো উজ্জ্বল করে তুলবে। মনে রাখুন, ঈদের গয়নার সাজের মূল বিষয় হলো পরিমিতিবোধ। সুন্দর মার্জিত লুকের জন্য একটি হার, কাচের চুড়ি বা বালা এবং মানানসই কানের দুল ব্যবহার করতে পারেন। যদি পোশাকটি সাধারণ হয়, তবে চুড়িদার বা সালোয়ার কামিজের সঙ্গে ঝলমলে গয়না পরা এড়িয়ে চলুন। একটি পেনডেন্ট হার বা সাধারণ কানের দুল আপনার পোশাকে পরিমিত ঔজ্জ্বল্য যোগ করার জন্য যথেষ্ট।