শিরোনাম
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯:৩৮, ৩১ মার্চ ২০২৫
ঈদের দিনে দেশে দেশে খাবারের ভিন্নতা
বাংলাদেশে ঈদ মানেই বিরিয়ানি, সেমাই, হালিম, কোরমা, রোস্ট, পোলাও, ফিরনি, চপ, কাবাবসহ নানা সুস্বাদু খাবার। তবে ঈদের খাবারের প্রধান আকর্ষণ থাকে বিভিন্ন পদের সেমাইকে কেন্দ্র করেই। এদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতে ঈদে শাহী টুকড়া, শির খুরমা, হায়দরাবাদি বিরিয়ানি, রগান জোশ, শামি কাবাব এবং মাটন কোরমা বেশ জনপ্রিয়।
তুরস্কে ঈদে ‘লোকুম’ খুব জনপ্রিয়। হরেক রঙের মিষ্টির টুকরো দিয়ে তৈরি এই ‘লোকুম’ মূলত টার্কিশ ডিলাইট। বরফি আকৃতির বিশেষ এই মিষ্টি ঈদের দিন তুরস্কের সব ঘরেই তৈরি করা হয়। পাকিস্তানের মুসলমানদের কাছে ‘শীর খুরমা’ ঈদের সকালের প্রধান ডেজার্ট। ঘন দুধ দিয়ে রান্না করা এক ধরনের সেমাই এটি। অনেক বাদাম, কাঠবাদাম, ও খেজুর থাকে।
ব্রিটেনের মুসলিমদের কাছে ঈদ মানেই বিরিয়ানি। চাল, মাংস এবং সবজি দিয়ে তৈরি এই মুখরোচকের সঙ্গে থাকে দই এবং পুদিনার চাটনি। ঈদে সোমালিয়ায় জনপ্রিয় খাবার ‘ক্যাম্বাবুর’। দেখতে অনেকটা প্যানকেকের মতো। মাংস বা সবজির সঙ্গে গরম গরম পেনকেক হিসেবে পরিবেশন করা হয়। ইরিত্রিয়া, ইয়েমেন ও সুদানেও এটি অনেক জনপ্রিয়। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মাংসজাতীয় খাবারই বেশি জনপ্রিয়। আর এক্ষেত্রে দুম্বার রোস্টটিকেই তারা গুরুত্ব দেন।
মরোক্কোতে ‘তাজিন’ দিয়ে ঈদ উদযাপন করা হয়। তাজিন রান্না করতে মাটির পাত্র ব্যবহার করা হয়। এই মাটির পাত্রের নামও তাজিন। আফগানিস্তানে ঈদের দিন মানেই সকালে `বোলানি’ পরিবেশন করা হবে। এই খাবারে পাতলা রুটির ভেতরে সবজি, আলু, ডাল বা কুমড়ার পুর দেয়া হয়। মিয়ানমারের মানুষেরা ঈদের দিন তাদের ঐতিহ্যবাহী এক খাবার `শাই মাই’ তৈরি করে থাকেন। আমাদের সেমাইয়ের মতোই রান্না; তবে তা ভিন্ন উপায়ে।
ঈদের দিনে রাশিয়ার অনেকের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার - মানতি। এটি এক ধরণের ডাম্পলিং বা পুলি পিঠা। মাখানো আটার ভেতর ভেড়া বা গরুর মাংসের কিমার পুর দিয়ে তা ভাপে দেয়া হয়। চীনের বেশিরভাগ মুসলিমদের কাছে ঈদের দিনের প্রিয় খাবার হলো সেখানকার ঐতিহ্যবাহী ‘সাঙজা’।ময়দার লেই দিয়ে মোটা করে নুডলস বানিয়ে তা ডুবো তেলে কড়া করে ভাজা হয়। তারপর তা পিরামিডের মত করে সাজিয়ে পরিবেশন করা হয়।