ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫

২০ চৈত্র ১৪৩১, ০৪ শাওয়াল ১৪৪৬

উৎসবে হজমের সমস্যা এড়াতে এই কাজগুলো করুন 

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮:০২, ১ এপ্রিল ২০২৫

উৎসবে হজমের সমস্যা এড়াতে এই কাজগুলো করুন 

দীর্ঘ এক মাস রোজা রাখার যখন শাওয়াল মাসের চাঁদ উঠে তখন উৎসবের ছোঁয়া লাগে জীবনে। এক মাসের সংযম সাধনার পর আবারও শুরু হয় জম্পেশ খাওয়াদাওয়া। তবে দীর্ঘদিন রোজা থাকার ফলে খাবার খাওয়ার সময় তো বটেই, খাবারদাবারের ধরনও বদলে যায়। তাই গুরুপাক খাবার গ্রহণ করায় ঘটতে পারে বিপত্তিও।  

ঈদের কয়েকটা দিন বিভিন্ন ছোট ছোট শারীরিক সমস্যা যেমন অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা কিংবা পেটব্যথায় ভোগেন কেউ কেউ। ঈদের দিনগুলোতে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী সর্বোচ্চ আয়োজনেরই চেষ্টা করেন সবাই। নিজের বাড়িতে খাওয়াদাওয়া তো চলেই, অন্যের বাড়িতে গেলেও আত্মীয়রা আপ্যায়ন করেন আন্তরিকভাবে। 

তবে এ সময়টাতে সুস্থ থাকতে হলে কিছু বিষয় আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। সুস্থ থাকতে তাই অনুসরণ করতে পারেন নিন্মক্তো বিষয়গুলো-

সামনে মজাদার অনেক খাবার থাকলেও খাওয়া যাতে বেশি না হয়ে যায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

অল্প পরিমাণে বিভিন্ন পদের স্বাদ নিতে পারেন। তবে অনেক বেশি ধরনের খাবার একবারে না খাওয়াই ভালো। প্রয়োজনে বিরতি দিয়ে পরে আবার খাবেন।

সবজি এবং ফল রাখুন উৎসবের এ আয়োজনেও।

অতিরিক্ত তেল-চর্বিজাতীয় খাবার যতটা সম্ভব কম খাবেন।

ঘরে বসে সিনেমা দেখতে দেখতে খাবেন না। একদমই না। খাওয়ার সময় অন্য কাজ নয়। খাবার খাবেন মনোযোগ দিয়ে। নইলে বেখেয়ালে খাওয়া বেশি হয়ে যেতে পারে। 

খাওয়ার সময় পেট মোটামুটি ভরে গেলেই খাওয়া শেষ করে ফেলুন। ভরপেট খাবেন না।

খাবার খেয়েই সঙ্গে সঙ্গে পানি কিংবা পানীয় খাবেন না। খাবার খাওয়ার অন্তত মিনিট কুড়ি আগে কিংবা অন্তত মিনিট কুড়ি পর পানি বা পানীয় খাবেন। তাহলে হজমে গণ্ডগোলের ঝুঁকি কমবে।

আদা, পুদিনাপাতা বা জিরা দিয়ে তৈরি পানীয় খেতে পারেন খাওয়ার মিনিট কুড়ি পর। এসব পানীয় হজম সহায়ক।

খালি পেটে চা-কফি খাবেন না। খাবার খাওয়ার মিনিট কুড়ি পর খেতে পারেন। তবে সেটিও বারবার নয়।

অনেকে মনে করেন কোমল পানীয় হজমসহায়ক।  আসলে এটা ভুল ধারণা। কোমল পানীয় খাওয়ার পর ঢেকুর ওঠার অর্থ কিন্তু এই নয় যে আপনার পেট থেকে গ্যাস বেরিয়ে যাচ্ছে। কোমল পানীয় অর্থাৎ কার্বোনেটেড বেভারেজ খাওয়ার পর যা উঠে আসে, তা এই পানীয়েরই এক বিশেষায়িত উপাদান। এটিই কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস হিসেবে বেরিয়ে আসে।
 

আরও পড়ুন