শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১১:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | আপডেট: ১৪:১১, ৩ এপ্রিল ২০২৫
বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে বনশ্রীর ই-ব্লকের তিন নম্বর সড়কের একটি জুসের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় রাফিয়া তামান্না ও তার ছোট ভাই রিশাদকে মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এ ঘটনায় জিসান ও পার্থিব নামে দুইজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ১০-২০ জনের বিরুদ্ধে রামপুরা থানায় মামলা দায়ের করেছেন রাফিয়া তামান্না। তিনি বলেন, ‘রাত সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার দিকে আমি এবং আমার ছোট ভাই রিশাদ বনশ্রী ই-ব্লকের তিন নম্বর রোডের মুখে একটি জুসের দোকানে ছিলাম। এ সময় কয়েকজন স্থানীয় যুবক আমাকে উত্যক্ত করতে শুরু করে। আমার ভাই প্রতিবাদ করলে তারা প্রথমে তাকে মারধর করে। আমি বাধা দিতে গেলে তারা আমাকেও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নিজেদের বাসার সামনেই নিরাপদ নই। ছেলেগুলো এমনভাবে আচরণ করছিল যেন তারা যা করছে, সেটাই তাদের অধিকার। আমার ভাই যখন প্রতিবাদ করলো, তখন তারা আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। এমনকি তারা আমাকে হেনস্তা করার পরও অকপটে বলে, ‘হ্যাঁ, আমরা রেপ করেছি, কী করবি?’
এ ঘটনায় রাফিয়া তামান্না সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমার নিজের বাসার সামনেই নিরাপদ নই! আমাকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় আমার ভাইকে মারধর করা হলো, আমাকেও লাঞ্ছিত করা হলো। অথচ আশেপাশের কেউ এগিয়ে এলো না।’
তিনি আরও লেখেন, 'আমার চুল টেনে ধরে আমাকে হ্যাচকা টান দেওয়া হলো, বুকে আঘাত করা হলো, লাথি মারা হলো। চারপাশের সবাই দাঁড়িয়ে দেখছিল, কেউ কিছু বলেনি। একজন সাংবাদিক হয়েও যদি আমি এরকম হামলার শিকার হই, তাহলে সাধারণ নারীদের নিরাপত্তার কী অবস্থা?'
তার এই পোস্টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই শেয়ার দিচ্ছেন এবং কমেন্টে প্রতিবাদ করছেন। তারা বলেন, রাজধানীতে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। শুধু রাস্তায় নয়, নিজেদের বাড়ির সামনেও নিরাপদ নন নারীরা।