শিরোনাম
প্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮:৫২, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | আপডেট: ১৮:৫৬, ৫ এপ্রিল ২০২৫
তবে এই জনপ্রিয়তার আড়ালেই বাড়ছে উদ্বেগ। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিবলি ইমেজ তৈরিতে ব্যবহারকারীরা নিজেদের ব্যক্তিগত ছবি তুলে দিচ্ছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হাতে। যদিও এই চিত্ররূপকারি এআই প্ল্যাটফর্মগুলোর মূল সার্ভার আমেরিকায়, তবে ব্যবহারকারীর তথ্য বা ছবি ঠিক কোন সার্ভারে জমা হচ্ছে, সে বিষয়টি এখনো অস্পষ্ট।
বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, এসব তথ্য ভবিষ্যতে ব্যবহার হতে পারে ডিপফেক ভিডিও, ভুয়া পর্নোগ্রাফি কিংবা ডার্ক ওয়েবে। ব্যবহারকারীদের অজান্তেই তাদের ছবি ব্যবহার হতে পারে নানা ধরনের সাইবার অপরাধে।
পরিসংখ্যানও সেই আশঙ্কাকেই শক্ত ভিত্তি দিচ্ছে। মাত্র ৩০ ঘণ্টায় এসব প্ল্যাটফর্মে আপলোড হয়েছে প্রায় এক কোটি ছবি। তৈরি হয়েছে অন্তত ১০ লাখ নতুন অ্যাকাউন্ট। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, এতে বোঝা যাচ্ছে—কত মানুষের তথ্য ইতোমধ্যে সংরক্ষিত হয়েছে এসব সার্ভারে।
এসব এআই প্ল্যাটফর্ম BOT (Build–Operate–Transfer) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। প্রথমে ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করা হয় (Build), এরপর তা বিশ্লেষণ (Operate), এবং সবশেষে অন্য কোথাও স্থানান্তর (Transfer) করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যবহারের শুরুর মুহূর্তেই যে কেউ নিজের অজান্তে বড় ধরনের সাইবার ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন, যার জন্য দায়ী ব্যবহারকারী নিজেই।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ডে গা ভাসানোর আগে ব্যবহারকারীদের ভালোভাবে বুঝে নিতে হবে—তাদের তথ্য কোথায় যাচ্ছে এবং কীভাবে ব্যবহৃত হতে পারে। অন্যথায় ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তারা।